ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুর পর থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীর রহস্যময় গতিবিধি নিয়ে সহপাঠীদের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, মুনিরার মৃত্যুর খবর মুনিরার পরিবার সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জানায়। এমনকি সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে সুদীপের সঙ্গে মুনিরার পরিবারের ২ মিনিট কথোপকথনও হয়।
বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যখন মুনিরার বাসার উদ্দেশ্যে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে সুদীপ চক্রবর্তীকে মাস্ক পরিধান করে তাড়াহুড়ো করে কলা ভবনে নিজের ব্যক্তিগত ৩০৪০ নম্বর রুমে ঢুকতে দেখা যায়। এর আগের রাত ৯টা পর্যন্ত সুদীপের ব্যক্তিগত নাট্যদল ‘থিয়েট্রেক্স’-এর কার্যক্রম চলেছিল, যেখানে মিমো ও অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঠিক এক মিনিট পর অর্থাৎ ৮টা ৩২ মিনিটে সুদীপ কিছু কাগজ হাতে নিয়ে দ্রুত প্রস্থান করেন। এ সময় তিনি সচরাচর শিক্ষকদের ব্যবহৃত পথ এড়িয়ে পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে যান। পকেটে বা অন্য কোথাও কিছু লুকানো ছিল কি না, তা ফুটেজে স্পষ্ট না হলেও তাঁর এই তাড়াহুড়ো পরিস্থিতিকে রহস্যময় করে তুলেছে।
শিক্ষার্থীদের ধারণা, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য বা প্রমাণ সেই কাগজগুলোতে ছিল, যা নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। মুনিরার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর শোকাহত পরিবারের পাশে না গিয়ে কেন তিনি তড়িঘড়ি করে নিজ রুমে প্রমাণ লোপাট করতে গেলেন, তা নিয়ে বিভাগের ভেতরে-বাইরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।







