ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে পুশইন, সীমান্ত হত্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য। এসব বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে জোটটি নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় নেতারা বলেন, সীমান্তে পুশইন ও হত্যা অবিলম্বে বন্ধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপযোগী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের আহ্বান জানান তারা।
নেতারা মনে করেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মর্যাদা ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারকে আরও দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
এসব দাবিতে গৃহীত কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার জন্য বুধবার দুপুর ১২টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমাদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান, জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল ইসলাম নাঈম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বেল্লাল মিয়াজি এবং লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারী নেতারা জনগণের স্বার্থ ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।







