রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় আসাদুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবক জামায়াত নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর তার মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজবাড়ীর কালুখালীতে সংঘটিত এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেশের অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ উদাহরণ। আসাদুল ইসলামকে হাত-পা বেঁধে হত্যার পর মরদেহে আগুন দেওয়ার ঘটনা মানবিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে খুন, ছিনতাই, ডাকাতি ও সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেলেও সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। কালুখালীর এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে যে দেশের অনেক অঞ্চলে মানুষ এখনো নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে।
জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, নিহত আসাদুল ইসলাম একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান। পরিবারের এক সদস্যকে হারানোর পাশাপাশি তারা এখন চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মুখে পড়েছেন। তাই নিহতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বিবৃতির শেষে নিহত আসাদুল ইসলামের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। পাশাপাশি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক এবং এই কঠিন সময়ে তাদের জন্য বিশেষ সাহায্য ও সহায়তা কামনা করা হয়।







