ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনি আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে তাঁর প্রয়াত পিতা ও দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। শুধু উপস্থিত থাকাই নয়, তিনি নিজেই সেখানে জানাজার নামাজ পড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দীর্ঘ কয়েক মাস পর তাঁর এই দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
তবে মোজতাবা খামেনির এমন আকস্মিক ও প্রকাশ্য পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তাদের আশঙ্কা, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা যদি জনসমক্ষে সশরীরে হাজির হন, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইসরায়েল তাঁকে গুপ্তহত্যার (অ্যাসাসিনেশন) চেষ্টা চালাতে পারে।
নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আরও ভয়, এই দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিলে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে মোজতাবা খামেনির বর্তমান গোপন অবস্থানও শত্রুপক্ষ সহজে শনাক্ত করে ফেলতে পারে। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের ওই হামলায় মোজতাবা খামেনি নিজেও আহত হয়েছিলেন এবং সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি জনসমক্ষে আসেননি। ফলে তাঁর এই মাশহাদ সফর নিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা মহলে চরম উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।







