জাতীয় সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ। এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবনের ছাদ থেকেও পানি পড়ে, এমনকি রাতে পানি ধরতে বাটি রাখতে হয়।
সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
জি কে গউছ বলেন, সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের ওপরের তলায় অবস্থিত মসজিদে সংসদ সদস্যসহ অনেকে জামাতে নামাজ আদায় করেন। কিন্তু ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় সেখানে বালতি রেখে নামাজ পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে সংসদ ভবনে নানা ধরনের অনুষ্ঠান হয়েছে, অথচ এখন মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখতে হচ্ছে। শুধু বাইরে নয়, মসজিদের ভেতরেও বৃষ্টির পানি পড়ছে। চলতি অধিবেশনে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাসের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।
জি কে গউছের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি তারাও অবগত। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তার সরকারি বাসভবনের ছাদ থেকেও পানি পড়ে এবং রাতে ঘুমানোর সময় পানি ধরতে বাটি রাখতে হয়।
এ সময় চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন। রোববারই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং যেসব স্থানে পানি চুইয়ে পড়ছে, সেগুলো মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে।
পরে ডেপুটি স্পিকার গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুতই এর স্থায়ী সমাধান করা হবে।







