কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। গতকাল সংবেদনশীল এই আকাশসীমায় ড্রোনটি নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস করা হয় বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনার পরপরই ইরানের পক্ষ থেকে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের বেশ কিছু ধ্বংসাবশেষের ছবি ও ভিডিও চিত্র প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। কৌশলগত এই জলসীমায় নিজেদের আকাশসীমা রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে আবারও কড়া বার্তা দিয়েছে ইরানি বাহিনী।
সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বহরে থাকা অন্তত ৪৬টি রিপার ড্রোন ধ্বংসের খবর সামনে এল। নতুন করে ভূপাতিত এই ড্রোনটি মার্কিন সামরিক বিমান বহরের জন্য একটি বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ধ্বংস হওয়া ড্রোনগুলো আমেরিকার মোট এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন বহরের প্রায় ২৫ শতাংশ বা এক-চতুর্থাংশ। যুদ্ধের এই স্বল্প সময়ে এত বিপুলসংখ্যক অত্যাধুনিক চালকহীন বিমান হারিয়ে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের কৌশলী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
আর্থিক ক্ষতির হিসেবেও ঘটনাটি বেশ বড়। এ পর্যন্ত ধ্বংস হওয়া রিপার ড্রোনগুলোর মোট আর্থিক মূল্য ১.৩ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। একের পর এক ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাটি হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শক্তিমত্তাকেই নতুন করে ফুটিয়ে তুলছে।







