দীর্ঘ দু’দশকেরও বেশি সময় পর অবশেষে ইরাক থেকে নিজেদের সকল সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাকে অবস্থানরত সমস্ত মার্কিন সেনা সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
এই সেনা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ২০০৩ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময়ে ইরাক আক্রমণের পর শুরু হওয়া দীর্ঘদিনের সামরিক উপস্থিতির চিরতরে অবসান ঘটতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে আমেরিকার দীর্ঘ যুদ্ধ অধ্যায়ের এক ঐতিহাসিক সমাপ্তি ঘটবে।
মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার পর জঙ্গিদমন ও দেশের সার্বিক নিরাপত্তার মূল দায়িত্ব চলে যাবে স্থানীয় বাহিনীর হাতে। আন্তর্জাতিক সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএস (ISIS)-কে দমন করা এবং তাদের সম্ভাব্য পুনরুত্থান ঠেকানোর পুরো দায়িত্ব এখন থেকে নিজস্বভাবেই সামলাবে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইরাকের অভ্যন্তরে মার্কিন সেনার উপস্থিতি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক এবং ক্ষোভ ছিল। সেপ্টেম্বরের এই চূড়ান্ত প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের ফলে ইরাক তার ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবে।







