ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের আশঙ্কায় মার্কিন সামরিক বাহিনী ও পেন্টাগনের জয়েন্ট স্টাফের প্রায় ৫০ জন সিনিয়র কর্মকর্তা ও বেসামরিক কর্মচারীকে পলিগ্রাফ বা মিথ্যা শনাক্তকারী পরীক্ষার মুখোমুখি করা হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রধান লক্ষ্য ছিল সাংবাদিকদের কাছে সামরিক গোপনীয়তা বা কোনো স্পর্শকাতর তথ্য হস্তান্তর করা হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া।
বিশেষ করে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর সহ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্র ও যুদ্ধাপরকরণের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ার খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেয় মার্কিন প্রশাসন। পেন্টাগন ও অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্য ফাঁসের এই সুনির্দিষ্ট উৎস এবং কোনো সদস্য বিদেশি গোয়েন্দাদের সাথে যুক্ত রয়েছেন কি না সে বিষয়টি অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তার সাথে খতিয়ে দেখছে।
পেন্টাগনের এক মুখপাত্র অভ্যন্তরীণ এই তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকার করলেও নিশ্চিত করেছেন যে, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ফাঁসের বিষয়কে পেন্টাগন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেয়। পেন্টাগনের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্রের অভ্যন্তরীণ ঘাটতির খবর প্রকাশ পাওয়াকে প্রশাসন দেশের নিরাপত্তার জন্য এক বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে।







