নেত্রকোণার মদন উপজেলায় সরকারের খোলাবাজারে বিক্রির (ওএমএস) ৫ হাজার কেজি চাল পাচারের চেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাল জব্ধের পর এই ঘটনায় জড়িত হ্যান্ডট্রলির দুই চালককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ উদ্দিন করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন দেওসহিলা গ্রামের হ্যান্ডট্রলি চালক মাসুম মিয়া (২৮) ও আকারুল্লাহ (২৪)। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ওএমএস ডিলার ও মদন উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, তাঁর সহযোগী কবির তালুকদার ও আব্দুল করিম। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ওএমএস ডিলার রফিকুল ইসলাম তাঁর গোডাউন থেকে সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি হ্যান্ডট্রলিতে করে অন্যত্র পাঠাচ্ছিলেন। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে দুটি ট্রলিসহ চালকদের আটক করা হয়। ট্রলি দুটি থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের লোগোসংবলিত ৫০ কেজি ওজনের ১০০ বস্তায় মোট ৫ হাজার কেজি চাল এবং ১৩৫টি খালি বস্তা জব্দ করা হয়।
আটক চালকেরা চাল পরিবহনের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত মূল চক্রের নাম প্রকাশ করেন। মদন থানার ওসি জানান, সরকারি চাল কালোবাজারে পাচারের চেষ্টা রুখতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটক দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রফিকুল ইসলামসহ পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







