রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে গেলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার দুপুর ১টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান।
রাষ্ট্রপতির দুই দিনের সফরকে কেন্দ্র করে পুরো জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফর সফল করতে জেলা প্রশাসন ও নাগরিক কমিটি একাধিক প্রস্তুতি সভা করেছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক ব্যবস্থা।
ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ড. আবু মোহাম্মদ খায়রুল কবির জানান, সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। এরপর তিনি শহরের সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন এবং নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।
রোববার বিকেলে জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। সফরের দ্বিতীয় দিন সকালে তিনি জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পরে জামালপুর ইউনিয়নের মহেশখালীর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহিন জানান, দ্বিতীয় দিন দুপুরে মহেশখালীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।
রাষ্ট্রপতিকে গণসংবর্ধনা দিতে ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটি জেলা স্কুল মাঠে বিশেষ আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠান ঘিরে ফেস্টুন ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে শহর। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এসএসএফসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
সফর শেষে রাষ্ট্রপতি সার্কিট হাউসে ফিরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন। এরপর হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করবেন।
জেলা প্রশাসক রফিকুল হক জানান, রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এটি ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সফর। এ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।







