Monday, November 2, 2026
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক

সাত বছর পর শি জিনপিংয়ের ভারত সফর, কমবে কি দিল্লি-বেইজিংয়ের দূরত্ব

September 11, 2026
A A
সাত বছর পর শি জিনপিংয়ের ভারত সফর, কমবে কি দিল্লি-বেইজিংয়ের দূরত্ব

দীর্ঘ সাত বছর পর ভারত সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শির আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

২০১৯ সালে সর্বশেষ ভারত সফরে এসেছিলেন শি জিনপিং। সে সময় চেন্নাইয়ের কাছে মামাল্লাপুরমে মোদীর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছিলেন তিনি। এর পরের বছর লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক বড় ধরনের সংকটে পড়ে। ফলে শির এবারের দিল্লি সফরকে ভারত-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরের গুরুত্ব শুধু দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্রিকসের অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক রাজনীতিতেও এর প্রভাব থাকতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের ব্রিকস সম্মেলন।

গালওয়ানের পর কমেছে কি উত্তেজনা?

২০২০ সালের জুনে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। চীনও তাদের চার সেনা নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। ওই ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটে। এর প্রভাব পড়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগেও।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে অংশ নিতে চীনের তিয়ানজিনে গিয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন নরেন্দ্র মোদী।

এর আগে ২০২৪ সালে রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে প্রায় পাঁচ বছর পর মুখোমুখি বৈঠক করেন দুই নেতা। সে সময় লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) থেকে সেনা প্রত্যাহার এবং ২০২০ সালের সীমান্ত সংকটের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়।

পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হয়েছে। ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের ভিসা প্রক্রিয়াতেও কিছুটা শিথিলতা এসেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ৬ সেপ্টেম্বর অরুণাচল প্রদেশের ওয়াচাতে ভারতীয় ও চীনা সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন চীনের দিকে দামাইয়েও আরেকটি বৈঠক হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সীমান্ত বিরোধ পুরোপুরি মিটে গেছে—এমনটা বলার সময় এখনো আসেনি। দিল্লিভিত্তিক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হর্ষ ভি পন্থের মতে, দুই দেশ এখন মূলত নতুন করে সংঘাত এড়ানো এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

তার মতে, সীমান্ত সমস্যা পাশ কাটিয়ে ভারত ও চীন সহজেই সামনে এগোতে পারবে না। বরং আপাতত ২০২০ সালের মতো পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই প্রধান লক্ষ্য। এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সামরিক পর্যায়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

অর্থনীতি ও বাণিজ্য বড় পরীক্ষা

রাজনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা বরফ গললেও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারত ও চীনের মধ্যে এখনো বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। হর্ষ ভি পন্থের মতে, পারস্পরিক আস্থার সংকটের পাশাপাশি বড় বাণিজ্য ঘাটতিও দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম প্রধান সমস্যা।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শি জিনপিং এবার প্রায় ৪০০ সদস্যের একটি বড় প্রতিনিধি দল নিয়ে ভারতে যেতে পারেন। প্রতিনিধি দলের বড় একটি অংশ ব্যবসা ও বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।

গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছিল, সীমান্তে অস্থিরতার প্রভাব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পড়বে। ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আরওপড়ুন

ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের আহ্বান ইসরাইলিদের

চলতি বছরের মার্চে চীনা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করে ভারত। গালওয়ানের পর ইলেকট্রনিক্স, মূলধনী পণ্য ও সৌরশক্তিসহ কয়েকটি খাতে চীনা বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল।

কিছু নির্দিষ্ট শিল্পে ভারতীয় ও চীনা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগ দ্রুত অনুমোদনের পথেও এগোচ্ছে দিল্লি। এর মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনে ভারতের ডিক্সন টেকনোলজিস ও চীনের ভিভো মোবাইলের যৌথ উদ্যোগসহ কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

তবে বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাধা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বিওয়াইডি ও গ্রেট ওয়াল মোটরের মতো বড় চীনা গাড়ি নির্মাতারা ভারতে বিনিয়োগের পরিকল্পনায় এখনো বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র কি ভারত-চীনকে কাছাকাছি আনছে?

ভারত-চীন সম্পর্কের সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পেছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতিরও ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপসহ সাম্প্রতিক মার্কিন বাণিজ্যনীতি দিল্লিকে নতুন করে কূটনৈতিক হিসাব করতে বাধ্য করেছে। একই সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্কও নানা চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

হর্ষ ভি পন্থের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ভারত ও চীনের সাম্প্রতিক অসন্তোষ দুই দেশকে নিজেদের মতপার্থক্য কিছুটা পাশে রেখে পারস্পরিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।

তার মতে, ভারত ও চীন উভয়েরই একে অপরকে প্রয়োজন। তাই সীমান্ত উত্তেজনা কমিয়ে সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে দুই দেশ।

চীনের অর্থনীতি অনেকটাই রপ্তানিনির্ভর হওয়ায় দেশটির বড় বাজার প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় ভারতের বিশাল বাজার বেইজিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যিক চাপ বাড়ার সময়ে ভারত চীনের জন্য সম্ভাবনাময় বাজার।

ভারতের প্রধান উদ্বেগ বাণিজ্য ঘাটতি

দুই দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভারসাম্যও ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হর্ষ ভি পন্থের হিসাবে, ভারত-চীন বাণিজ্য ঘাটতি ইতোমধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। চীনের বাজারে ভারতীয় পণ্যের পর্যাপ্ত প্রবেশাধিকার না থাকাও দিল্লির অন্যতম বড় উদ্বেগ।

উৎপাদন খাতেও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী ভারত। তবে এর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। চীনা কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পকে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে আরও শক্ত অবস্থানে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ভারতের।

শি জিনপিংয়ের সফরে বিনিয়োগ, বাজারে প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বাণিজ্য ঘাটতির মতো বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনের প্রত্যাশা কী?

সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ এবং নয়াদিল্লিতে চীনা দূতাবাসের সাবেক কূটনীতিক লিন মিনওয়াংয়ের মতে, চীন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী। তবে ভারতও একই মাত্রায় আগ্রহী কি না, সেটি বেইজিং দেখতে চায়।

তার বক্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের সফরে রাতারাতি বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। বরং ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্থিতিশীল করার দিকেই এগোতে পারে দুই দেশ।

হর্ষ ভি পন্থের মতে, চীনের বড় অর্থনৈতিক সক্ষমতা রয়েছে। এই সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বেইজিং ভারতের কাছে আরও নির্ভরযোগ্য অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারে। বিশেষ করে ভারত ও চীন উভয়েই যখন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির প্রভাব অনুভব করছে।

তবে অর্থনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন সহজ হবে না। বাণিজ্য ঘাটতি, বাজারে প্রবেশাধিকার, বিনিয়োগের বিধিনিষেধ এবং পারস্পরিক বাণিজ্য বাধার মতো বিষয়গুলোর সমাধান প্রয়োজন।

ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে প্রত্যাশা

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস ভারত-চীন বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ জানিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ১৫১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে চীন আবার ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

রাজনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলেও বাণিজ্যের এই পরিমাণকে অর্থনৈতিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে চীনা সংবাদমাধ্যমটি। তাদের মতে, ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও বাড়ানোর জন্য এটি একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।

বাণিজ্যিক বাধা এখনো আছে

সম্পর্ক উন্নয়নের নানা ইঙ্গিত থাকলেও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পথে বাধা এখনো রয়েছে। সম্প্রতি চীনের অ্যান্ট গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আলিপের একটি প্রস্তাব ভারত অনুমোদন করেনি। ভারতের তাৎক্ষণিক পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ওই প্রস্তাব জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগে আটকে যায়।

চীনা মোবাইল ফোন নির্মাতা শাওমির বিরুদ্ধেও ভারতে তদন্তের সুপারিশ করা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ভারতে কার্যক্রম পরিচালনায় অনিয়ম ও বিদেশি বিনিয়োগ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা রয়েছে। তবে শাওমি বরাবরই বলে আসছে, তারা ভারতীয় আইন মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে ভারতকে ঘিরে চীনেরও কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, চীনা কর্তৃপক্ষ তাদের কোম্পানিগুলোকে বন্দর সরঞ্জাম, সৌর প্যানেল ও মোবাইল উৎপাদন সরঞ্জামসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত পণ্য ভারতে বিক্রির ক্ষেত্রে সতর্ক করেছে।

সৌরশক্তি ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পের প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ চীনা কাস্টমসে আটকে থাকার খবরও পাওয়া গেছে। এমনকি একজন ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তার দাবি, সুড়ঙ্গ নির্মাণে ব্যবহৃত কয়েকটি মেশিন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে।

সম্পর্ক কোন দিকে যাবে?

হর্ষ ভি পন্থের মতে, ভারত ও চীন চাইলে পারস্পরিক কিছু বিধিনিষেধ আরও শিথিল করতে পারে। তবে অল্প সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চিত্র পুরোপুরি বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ভারত চীনের অর্থনৈতিক শক্তি থেকে সুবিধা নিতে চায় এবং চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। অন্যদিকে চীনকে দেখাতে হবে যে ভারতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রতিও তারা গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে চীনের বাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এর গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে পারে।

গ্লোবাল টাইমসও জানিয়েছে, চীনের বাজারে ভারতীয় কৃষিপণ্য, খনিজ ও ভোগ্যপণ্যের প্রবেশের বড় সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়লে ভারতের উৎপাদন খাতও উপকৃত হতে পারে।

সব মিলিয়ে, সাত বছর পর শি জিনপিংয়ের ভারত সফরকে কেবল ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সীমান্ত উত্তেজনা কমানো, পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন, বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলা এবং বিনিয়োগ ও বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে নতুন আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে সীমান্ত বিরোধ ও দীর্ঘদিনের পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তাই এবারের সফরে বড় কোনো নাটকীয় চুক্তির চেয়ে ভারত-চীন সম্পর্ক কোন দিকে এগোচ্ছে, তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইঙ্গিত পাওয়াই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Related Posts

ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের
আন্তর্জাতিক

ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের

November 2, 2026
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের আহ্বান ইসরাইলিদের
আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের আহ্বান ইসরাইলিদের

November 1, 2026
ফের হামলা হলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে, ইরানের হুঁশিয়ারি
আন্তর্জাতিক

ফের হামলা হলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে, ইরানের হুঁশিয়ারি

October 31, 2026

সপ্তাহের সেরা

  • ​ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ

    ​ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হলিক্রসে শিক্ষকের ধর্ষণে ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক শেষে যে সিদ্ধান্ত এলো

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন কে, জানালেন শফিকুল আলম

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

বিএনপির সাথে নেগোসিয়েশন ব্যর্থ হয়েই ব্ল্যাকমেইলিংয়ের রাজনীতিতে এনসিপি!

বিএনপির সাথে নেগোসিয়েশন ব্যর্থ হয়েই ব্ল্যাকমেইলিংয়ের রাজনীতিতে এনসিপি!

November 2, 2026
ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

ঢাকায় কুশ চাষের গোপন ল্যাব, যুক্তরাষ্ট্রে বসে নিয়ন্ত্রণ করতেন তৌসিফ

November 2, 2026
ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের

ভারতের আইটেক স্কিমে বাংলাদেশ থেকে ৪২ সাংবাদিকের প্রশিক্ষণ: নাম প্রকাশের দাবি সচেতন মহলের

November 2, 2026
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০