রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। দুপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল দেখে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ধাওয়া করে আটক করেন ছাত্রদলের এক নেতা। তবে পরবর্তীতে সেখানে ওত পেতে থাকা একটি সংঘবদ্ধ চক্র হুমকি-ধামকি দিয়ে আটককৃত ওই যুবককে ছাত্রদল নেতার হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
আটক ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাড়িয়ে নেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধারকারী চক্রের উসকানিদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা ব্যক্তি ‘মোঃ হিমেল মন্ডল’ নামীয় ফেসবুক আইডি ব্যবহার করেন। তাঁর প্রোফাইল ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে পুরো ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ করা দৈাক ইত্তেফাকের এক সাংবাদিকের ভূমিকা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের খবর আগে থেকে জানা সত্ত্বেও ওই সাংবাদিক পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেননি, বরং ভিডিও ধারণের জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকেন।
পরবর্তীতে ইত্তেফাকে প্রতিবেদনটিপ্রকাশ করা হয় “রাজধানীতে ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করলো ছাত্রদল নেতা, ছাড়িয়ে নিলো পথচারীরা”—এই শিরোনামে। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে এবং অভিযুক্ত ছাত্রলীগ ক্যাডারদের আড়াল করতেই ইত্তেফাক সচেতনভাবে তাঁদের ‘সাধারণ পথচারী’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।







