ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমীনের সঙ্গে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার গোপন বৈঠক করার অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ৮টায় ঠাকুরগাঁও সদরের অজ্ঞাত স্থানে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমন বৈঠক নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের তৈরি হয়েছে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমন গোপন বৈঠকের ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন ১১ দল মনোনীত প্রার্থী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন। তিনি এসব সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় কর্মরত ৩৮ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে এক জরুরি গোপন বৈঠকে মিলিত হন বিএনপির প্রার্থী এবং রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমীন। এসব কর্মকর্তারা সাধারণত নির্বাচনে প্রিজাইডিং ও সহকারি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. রাজু আলী সরকারি কর্মকর্তাদের দলটির নেতৃত্ব দেন। রাজু আলী জাতীয়তাবাদী ডিপ্লোমা কৃষিবিদ নামে একটি সংগঠনের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
এই বৈঠকের বিষয়ে জানতে মির্জা ফয়সাল আমীনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হচ্ছে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমীন ও ১১ দল মনোনীত জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের মধ্যে।







