সোমবার সকালে রাজধানীর চকবাজারে ‘কমিউনিটি ইসলামিক ব্যাংক সিস্টেম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
আইজিপি বলেন, শান্তিতে বসবাস নিশ্চিত করতে পুলিশের বিকল্প নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে আখ্যা দেয়, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে পুলিশকে দুর্বল বলা হয়। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
অপরাধ করলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা
আলী হোসেন ফকির বলেন, সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করা জরুরি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুজব ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। কোনো ঘটনা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা জরুরি।
দুই মাসে ২৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
আইজিপি জানান, গত দুই মাসে ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধে জড়িত সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে।
তবে ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে আইজিপির বক্তব্যের ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধান অনুযায়ী বলপ্রয়োগের সীমা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহির প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। আইন প্রয়োগের যেকোনো পদক্ষেপই প্রযোজ্য আইন ও মানবাধিকারের বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।







