বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী মোড়—যেখানে সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চের বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেই একই স্থানে বিশাল পথসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৫ নভেম্বর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সফরকে ঘিরে বাগেরহাটসহ সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন কেবল রাজনৈতিক দিক থেকেই নয়, বরং অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকালে হেলিকপ্টারযোগে মোংলা বন্দরে পৌঁছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) চুক্তি স্বাক্ষর এবং দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এরপর হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে খুলনা যাওয়ার পথে তিনি বাগেরহাট জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত কাটাখালী মোড়ের ঐতিহাসিক পথসভায় যোগ দেবেন। জেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম আকরাম হোসেন তালিম জানান, জামায়াতের কর্মসূচির পরপরই একই স্থানে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের মাঝে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
বাগেরহাটের স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মতে, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাগেরহাটের সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃষি খাতের বিদ্যমান সংকট নিরসন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই সফরটি বিরাট ভূমিকা রাখবে। মোংলা কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দীর্ঘদিনের বকেয়া দাবিগুলো তুলে ধরতে মুখিয়ে আছেন বাগেরহাটবাসী।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় পুরো জেলায় নেওয়া হয়েছে কঠোর ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন, মাজার জিয়ারত ও কাটাখালী মোড়ের বিশাল পথসভাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে।







