ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, হামাস অত্যন্ত কৌশলগতভাবে তাদের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে শাব্বাতের ঠিক আগে, যখন ইহুদিদের ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী রাজনৈতিক বা জনসমক্ষে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো নিষিদ্ধ।
শুক্রবার সূর্যাস্তের পর, শাব্বাত শুরু হতেই হামাসের বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ঠিক সেই সময়েই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসের প্রতিক্রিয়াকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে মূল্যায়ন করে বক্তব্য দেন, যা দ্রুত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ইসরায়েলি সাংবাদিকদের মতে, এই সময় নির্বাচন ছিল “মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের” অংশ। কারণ, শাব্বাতের সময় ইসরায়েলের ধর্মীয় নেতা, রাজনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তারা সাধারণত গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন না বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন না।
ফলে হামাসের প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে বেন গভির, বেজালেল স্মোত্রিচের মতো কট্টর ডানপন্থী নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দিতে পারেননি, এবং পুরো সংবাদচক্র জুড়ে ট্রাম্পের মন্তব্যই প্রধান আলোচ্য হয়ে ওঠে।
বিশ্লেষকদের ভাষায়, হামাসের এই সময় নির্বাচন ছিল “এক দিনের নীরবতাকে তথ্যযুদ্ধে পরিণত করার এক নিখুঁত পরিকল্পনা”— যা আন্তর্জাতিক জনমত প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।







