পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের ১.২ বিলিয়ন ডলারের একটি নতুন বন্দর নির্মাণ প্রকল্পে অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবিত এই বন্দরটি নির্মিত হবে বেলুচিস্তানের পাশনি এলাকায়, যা কৌশলগতভাবে গওয়াদর ও ইরান সীমান্তের নিকটে অবস্থিত।
সূত্র জানায়, পাশনি বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে অবস্থিত তামা ও অ্যান্টিমনি খনিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। এতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য পাকিস্তানি খনিজ আহরণ ও রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ হবে।
এ উদ্যোগকে বিশ্লেষকরা দেখছেন চীনের গওয়াদর বন্দর প্রকল্পের বিপরীতে একটি কৌশলগত পাল্টা ভারসাম্য হিসেবে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ হিসেবে গওয়াদর বন্দরে বিনিয়োগ পেয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামাবাদ ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চাইছে, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির মাধ্যমে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সূত্র মতে, পাশনি বন্দরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্য ও সামরিক উপস্থিতির বিকল্প প্রবেশদ্বার দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে পাকিস্তান একদিকে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে, অন্যদিকে চীনের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানোও সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।







