ইসলামী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিভাজন উস্কে দেয় এমন ইস্যুতে নীরব থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েও সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে কথা বলতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক সচেতন নাগরিক ও ইসলামপন্থি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তাঁদের অভিযোগ, একপাক্ষিকভাবে প্রচারিত প্রোপ্যাগান্ডা দেশের মসজিদভিত্তিক সামাজিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আগে কখনো মসজিদের মিম্বার থেকে অন্য মূলধারার ইসলামী দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়নি— অথচ সাম্প্রতিক সময়ে সেই অশুভ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রচারণা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাঁদের অভিমত, রাজনৈতিক বক্তব্য রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করেই দেওয়া উচিত। কিন্তু কিছু নেতা এখন বিএনপির রাজনৈতিক সুরে কথা বলছেন, অথচ মসজিদের মিম্বারে বসে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করছেন— যা ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে অনুচিত।
তারা আরও বলেন, যদি রাজনৈতিক বক্তব্যই দিতে হয়, তাহলে মিম্বার থেকে নয়, বরং নিজের দলীয় পরিচয় প্রকাশ করেই দেওয়া উচিত। পাশাপাশি অভিযোগ উঠেছে, বিএনপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগির রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবেই এসব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ওই দলের নেতা জুনায়েদ আল-হাবিবের জন্য বিএনপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
