সৌদি আরব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার থাকলে ইসরায়েলের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্ক স্বাভাবিক করা হবে না। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, রিয়াদ তাদের অবস্থান আরও কঠোরভাবে জানিয়ে দিয়েছে: বিশেষ করে কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ও ইতামার বেন-গভির সরকারে থাকা অবস্থায় স্বাভাবিকীকরণের কোনো সম্ভাবনা নেই।
সৌদি নেতৃত্ব পরিষ্কার করে জানায়, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগে অবশ্যই একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রূপরেখা থাকতে হবে। তারা বলছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত এবং রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া স্বাভাবিক সম্পর্ক—কোনো আলোচনার বিষয়ই নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে এই অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ কিছুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রিয়াদ–তেল আবিব চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু গাজার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইসরায়েল সরকারের কট্টর নীতির কারণে সৌদি আরব তার অবস্থান আরও কঠোর করেছে।
ফিলিস্তিনি নেতারা বলছেন, সৌদি আরবের এই অবস্থান তাদের রাষ্ট্রপ্রাপ্তির দাবিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন চাপ তৈরি করবে ইসরায়েল সরকারের ওপর।







