পাবনার ঈশ্বরদীর চর গড়গড়ি এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষের পর লুট হওয়া জামায়াত নেতাকর্মীদের ৯টি মোটরসাইকেল বিএনপি নেতা মক্কেল মৃধার বাড়ির পেছনের বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পর থেকেই মক্কেল মৃধা ও তার ঘনিষ্ঠরা গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার জগিরমোড়ে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক (অব.) আবু তালেব মণ্ডলসহ উভয় পক্ষের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।
ঘটনার পর বিএনপি ও জামায়াত পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। বিএনপির দায়ের করা মামলায় আবু তালেব মণ্ডলকে প্রধান আসামি করে নামীয় ৩২ জনসহ ১০০-১৫০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। অপরদিকে, জামায়াতের মামলায় মক্কেল মৃধাকে প্রধান আসামি করে ৩৮ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়।
জামায়াত প্রার্থী আবু তালেব মণ্ডলের অভিযোগ—বিএনপি নেতা মক্কেল মৃধার নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলায় তার মাইক্রোবাস ও অন্তত ৫০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও লুট করা হয়। হামলায় তার শতাধিক কর্মী আহত হন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী মাঠে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য বিএনপি পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে মক্কেল মৃধার দাবি—জামায়াত প্রার্থীর পক্ষ থেকেই প্রথমে গুলিবর্ষণ ও হামলা চালানো হয়, যাতে তার দলের ৪০-৫০ জন আহত হন।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মাদ শাজাহান আলী জানান, মোটরসাইকেল উদ্ধারের পর এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।







