আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ১০ দলীয় জোটের ঐক্যের মাধ্যমে ২১৫টি আসনে প্রার্থী পাঠাবে। বাকি ৮৫টি আসনে অন্যান্য জোটসঙ্গী দলের নেতা-কর্মীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিল। ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা হয়েছিল, বাকিগুলো জোটের অন্যান্য অংশীদার—জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, বিডিপি ও নেজামে ইসলাম পার্টির মধ্যে বণ্টন করা হয়েছিল। তবে ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় তাদের আসনগুলো বাকিদের মধ্যে পুনঃবণ্টন করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, এনসিপি ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি ও খেলাফত মজলিস ১২টি আসনে প্রার্থী নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও কিছু আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়ের পর বিকেলে জোটের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত তথ্য জানানো হবে বলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় জামায়াতের আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়লেও জোটগত ভারসাম্য রক্ষা করতে অন্যান্য শরিকদেরও উল্লেখযোগ্য আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
