র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। র্যাবের নতুন নাম হবে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ (এসআইএফ)।
মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে নতুন নাম অনুমোদন দিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি হলে নতুন নামে বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে র্যাবের পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, বাহিনীর কার্যক্রমকে নতুন কাঠামো ও পরিচয়ের আওতায় পরিচালনার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, র্যাব গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে বাহিনীটির নাম ছিল র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট)। ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে র্যাব গঠন করা হয়।
বিভিন্ন সময়ে র্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্র র্যাব এবং বাহিনীটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ও পররাষ্ট্র দপ্তর পৃথকভাবে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ-এর নামও ছিল, যার ফলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
এছাড়া, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনাবলির ওপর জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর প্রকাশিত তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করা হয়। একই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার রয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।







