ইরাকে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি KC-135 স্ট্রাটোট্যাঙ্কার রিফুয়েলিং বিমান অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে। আজ সকালে অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি বিমানের মধ্যে ফিরে আসা একমাত্র বিমানটির লেজের বাড়তি অংশের (টেইল সেকশন) প্রায় অর্ধেক অংশই ছিল না।
আজ ভোরে ইরাকের আকাশে মার্কিন এই ড্রোন বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান দুটি হামলার মুখে পড়ে। পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ থাকা অন্য বিমানটির এখনো কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ফিরে আসা বিমানটির ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সামরিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ভোরে বিমানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বর্তমানে প্রাপ্ত হাই-রেজোলিউশন ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে, বিমানের লেজের পেছনের অংশটি প্রায় দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে। এত বিশাল ক্ষতি নিয়েও বিমানটি কীভাবে অবতরণ করতে সক্ষম হলো, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ক্রমাগত হামলার মুখে মার্কিন আকাশপথের নিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্নের মুখে। এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন ওই অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে তেহরান তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করেছে।
নিখোঁজ থাকা দ্বিতীয় KC-135 বিমানটির সন্ধানে বর্তমানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, নিখোঁজ বিমানটিও একইভাবে হামলার শিকার হয়ে বিধ্বস্ত হতে পারে। পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি প্রদান করেনি।







