গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরে হামলার ইতিহাসে এবার সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে আক্রমণ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার রাতে গাজা উপকূল থেকে ৫০০ নটিক্যাল মাইলেরও বেশি দূরে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামের একটি সহায়তাবাহী জাহাজ বহর আটকে দেয় তারা। গাজায় মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর লক্ষ্যে পরিচালিত সমুদ্র অভিযানের ওপর এমন দূরপাল্লার হামলা এটাই প্রথম।
গাজায় পৌঁছাতে চাওয়া মানবিক সহায়তার জাহাজে ইসরায়েলের এই বাধা দেওয়ার ইতিহাস প্রায় দুই দশকের পুরোনো। এর আগে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক জলসীমায় তুরস্কের পতাকাবাহী জাহাজ ‘মাভি মারমারা’-তে হামলা চালিয়েছিল দখলদার বাহিনী, যাতে ১০ জন মানবাধিকারকর্মী নিহত হন। সেই ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছিল।

সহায়তাবাহী নৌবহরে হামলার ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী ‘স্পিরিট অব হিউম্যানিটি’ জাহাজটি আটকে দিয়েছিল ইসরায়েল। একইভাবে ২০১৫ সালে গাজা উপকূল থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল দূরে সুইডেনের পতাকাবাহী জাহাজ ‘মারিয়ান’ তাদের বাধার মুখে পড়ে।
সবশেষ ২০২৫ সালেও গাজার কাছাকাছি এলাকায় খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীবাহী ‘মাদলিন’ নামের আরেকটি সহায়তাবাহী জাহাজ আটকে দিয়েছিল দখলদার বাহিনী। আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রপথে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর প্রতিটি প্রচেষ্টাকেই ইসরায়েল শক্তি প্রয়োগ করে ব্যর্থ করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।







