ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কার্জন হলের একজন সিকিউরিটি গার্ডকে মনোনীত করার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত ৪ এপ্রিল অনুমোদিত এবং সম্প্রতি প্রকাশিত ওই কমিটিতে জুলহাস মিয়া নামের এক ব্যক্তির নাম আসার পর জানা যায়, তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত।
জুলহাস মিয়া ২০১৭ সাল থেকে ঢাবির জীববিজ্ঞান অনুষদ তথা কার্জন হলের প্রধান ফটকে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পদ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তিনি জানান, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে তিনি ‘সম্মানসূচক’ একটি পদ চেয়েছিলেন। এ লক্ষ্যে প্রায় ছয় মাস আগে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. আক্তার হোসেনের কাছে জীবনবৃত্তান্তও জমা দিয়েছিলেন তিনি।

তবে ছাত্রত্ব না থাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে থাকা অবস্থায় ছাত্রদলের কমিটিতে পদ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জুলহাস মিয়ার দাবি, তিনি কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের জন্য একটি পদ চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের নেতারা জানিয়েছেন, জুলহাস মিয়ার পেশাগত পরিচয় সম্পর্কে তাঁরা অবগত ছিলেন না। সাধারণ সম্পাদক মো. হান্নান মজুমদারের দাবি, জুলহাস একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন।
মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহসভাপতি আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, তিনি কেবল জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ওই ব্যক্তির পেশা সম্পর্কে জানতেন না। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রদলের ভেতরে-বাইরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।







