ভবিষ্যৎ যেকোনো আন্তর্জাতিক বা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে চীনকে অন্যতম প্রধান জামিনদার বা ‘গ্যারান্টার’ হিসেবে দেখতে চায় ইরান। বেইজিংয়ে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফাজলি সম্প্রতি এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তিনি গুরুত্বারোপ করেন যে, যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তির স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে অবশ্যই বৃহৎ শক্তিগুলোর শক্তিশালী নিশ্চয়তা থাকতে হবে।
রাষ্ট্রদূত ফাজলি আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক আইন ও বৈধতা বজায় রাখতে এই ধরনের চুক্তিগুলোকে অবশ্যই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপন করতে হবে। ইরানের মতে, চীন এবং রাশিয়া কেবল বৃহৎ শক্তিই নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী দুটি দেশ। এই দেশগুলোর সম্পৃক্ততা চুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে চীনের যে দৃঢ় সম্পর্ক ও কৌশলগত অবস্থান রয়েছে, তাতে বেইজিং যেকোনো চুক্তির বিশ্বস্ত জামিনদার হওয়ার যোগ্যতা রাখে বলে মনে করে ইরান। তেহরানের এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং পশ্চিমা চাপ মোকাবিলায় পূর্বের পরাশক্তিগুলোর ওপর বেশি আস্থা রাখতে চায়।
