আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের সঙ্গে রাশিয়া একটি ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারত্ব’ গড়ে তুলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সের্গেই শোইগু। মস্কো ও কাবুলের মধ্যে বর্তমানে নিরাপত্তা, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও মানবিক সহায়তা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। রাশিয়ার এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।
সের্গেই শোইগু তাঁর ভাষ্যমতে উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আফগানিস্তানের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই নয়, মস্কো প্রতিবেশী অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোকেও কাবুলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়ার মতে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আফগানিস্তানকে মূল ধারায় যুক্ত করা প্রয়োজন।
তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে তাদের যোগাযোগের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা ও মাদক চোরাচালান বন্ধে দুই দেশ একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। নতুন এই অংশীদারত্ব দুই দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থের পাশাপাশি মানবিক সংকটে থাকা আফগানিস্তানের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সের্গেই শোইগু আরও জানান যে, এই সহযোগিতা কেবল রাজনৈতিক নয় বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পর্যায়েও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। রাশিয়ার এই জোরালো অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা আফগানিস্তানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রভাবশালী করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক সমর্থন চালিয়ে যাবে।







