ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরান কেবল টেবিল টকের বা আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং নিজেদের সুদৃঢ় সামরিক সক্ষমতার মাধ্যমেই প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরনের ছাড় আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দাবি করেন, ইরান মূলত কোনো দুর্বল সংলাপের মাধ্যমে নয়, বরং নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিতেই অধিকার ও ছাড় আদায় করে থাকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইরানের শীর্ষ এই আলোচক ও প্রভাবশালী রাজনীতিক আরও বলেন, প্রতিপক্ষের সাথে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক আলোচনায় আমরা কেবল তাদের আমাদের অবস্থান এবং যৌক্তিকতা বোঝাই। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, ইরান কোনো পশ্চিমা প্রতিশ্রুতি বা মৌখিক আশ্বাসে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না।
নিজেদের কঠোর ও অনমনীয় অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করে তাঁর নিজের ভাষায় গালিবাফ বলেন, আমরা অপর পক্ষের কোনো অবাস্তব নিশ্চয়তা বা মুখের কথায় বিশ্বাস করি না—বাস্তব কাজই হলো আমাদের কাছে সবকিছুর মূল মাপকাঠি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে অপর পক্ষ আগে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অগ্রিম পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ আরও মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক মহলে যেকোনো চুক্তির প্রকৃত ও দীর্ঘমেয়াদি সফলতা মূলত নির্ভর করে সেই পক্ষের ওপর, যারা চুক্তি স্বাক্ষরের ঠিক পরের দিন থেকেই যেকোনো সম্ভাব্য বড় সংঘাত বা যুদ্ধের জন্য নিজেদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত রাখতে পারে। সামরিক প্রস্তুতিই চুক্তি টিকিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার বলে তিনি মনে করেন।







