আজ (৩১ মে) সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো— “Unmasking the Appeal: Countering Nicotine and Tobacco Addiction”। এ প্রতিপাদ্যের আলোকে World Health Organization (ডব্লিউএইচও) এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থা তামাক ও নিকোটিন আসক্তির বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী অন্তত ৩ কোটি ৭০ লাখ কিশোর-কিশোরী নিয়মিত তামাক ব্যবহার করে। তরুণদের নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি আকৃষ্ট করতে তামাক কোম্পানিগুলো সুগন্ধিযুক্ত পণ্য বাজারজাতকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেলিব্রিটিদের ব্যবহার এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতার মতো কৌশল গ্রহণ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ বছর বয়সের আগেই যারা তামাকে আসক্ত হয়, তাদের মধ্যে নিকোটিন নির্ভরতা ও আজীবন তামাক ব্যবহারের প্রবণতা বেশি থাকে।
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাক ব্যবহার করে। তামাকজনিত রোগে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া ২০২৪ সালে তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এ খাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।
