প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ‘কৃষক কার্ড’ গ্রহণ করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা টাঙ্গাইলের সেই ভাইরাল কৃষক কবির হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারটিয়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্য, স্বজন ও স্থানীয়দের মাঝে বিরাজ করছে গভীর বেদনার আবহ।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে তারটিয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কবির হোসেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করেন অনেকে।
জানাজার নামাজের আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ভার্চুয়ালি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সহসভাপতি মীর ফরহাদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান, স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এছাড়াও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
উপস্থিত বক্তারা বলেন, কৃষক কবির হোসেন ছিলেন একজন পরিশ্রমী ও সাদাসিধে মানুষ। কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি এলাকায় সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণের পর তিনি দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন। তার মৃত্যুতে কৃষক সমাজ একজন পরিচিত মুখকে হারালো।
জানাজা শেষে উপস্থিত মুসল্লিরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন।
