জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে সংগঠনের গঠনতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, গতিশীল ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এ পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পর পরই সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত নতুন কমিটিতে প্রফেসর ড. শাহ জে. মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, রওশন কামাল জেমসকে সাধারণ সম্পাদক এবং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান।
একই সভায় সংগঠনের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই নতুন ও গতিশীল কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে। সেই সাথে দেশের আইসিটি খাতের পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদদের সরাসরি সম্পৃক্ততায় ফোরামের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে আরও বেগবান হবে।
এছাড়া সংগঠনের পরিধি আরও বাড়াতে এবং সাধারণ সদস্য অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে খুব শিগগিরই ‘সদস্য নিবন্ধন ফরম’ উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আগ্রহী পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, প্রযুক্তিবিদ এবং আইসিটি সংশ্লিষ্ট যেকোনো ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের সদস্য হওয়ার সুযোগ পাবেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন, আইসিটি পেশাজীবীদের ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ, নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং একটি সুদৃঢ় প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সভা শেষে সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা বজায় রেখে আগামী দিনের ঘোষিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।







