সংশ্লিষ্ট তিন মন্ত্রীর অনুপস্থিতির কারণে জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর কার্যক্রম মাঝপথেই স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার আছরের বিরতির পর অধিবেশন শুরু হলে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ ঘোষণা দেন।
কার্যসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর শেষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বিরতির পর ওই তিন মন্ত্রী অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত না থাকায় প্রশ্নোত্তর পর্ব স্থগিত করা হয়। যদিও বিরতির আগে তারা উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন।
বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর ডেপুটি স্পিকার কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন। পরে তিনি বলেন, যেসব মন্ত্রীর জন্য প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল, তারা কেউ উপস্থিত না থাকায় প্রশ্নোত্তর পর্ব সমাপ্ত ঘোষণা করা হচ্ছে এবং পরবর্তী কার্যসূচিতে যাওয়া হচ্ছে।
এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন জামায়াতের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বক্তব্য দেন।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, তিনি অধিবেশনে উপস্থিত আছেন এবং তারও প্রশ্নোত্তর পর্ব রয়েছে। জবাবে ডেপুটি স্পিকার জানান, তার ক্ষেত্রে প্রশ্নোত্তর নয়, কার্যবিধির ৭১ বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম চলবে।
এর আগে দুপুর সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর শেষে মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর চলাকালে আছরের নামাজের জন্য বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির আগে তিন মন্ত্রীই সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিরতির পর অবশিষ্ট প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হবে বলে স্পিকার জানিয়েছিলেন। তবে পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির কারণে সেই কার্যক্রম আর অনুষ্ঠিত হয়নি।
