সংসদে ৭১ বিধির অপর এক নোটিশের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান জানান, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়ে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যেসব অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের ওয়ারিশরা জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপির আখতার হোসেন বলেন, বিগত দেড় দশকে প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশালসংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মী নিয়োগ পেয়েছেন। একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত ৯০,৫২৭ জনের সনদ যাচাইকালে ইতিমধ্যে অন্তত ৮ হাজার জনের সনদে জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আমলে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই চক্রটি পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারে। তাই রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভুয়া সনদধারী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দ্রুততম সময়ে চাকরিচ্যুত করে আইনের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান তিনি।
