ভারতের সহযোগিতায় বাংলাদেশের ছাত্রজনতার ওপর গণহত্যা চালিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে বসেই ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে তিনি দেশের রাজনীতিতে পুনরায় প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে রাজনৈতিক বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, এই কাজে তাঁকে ভারতের ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার পুরোদমে নীতিগত ও কৌশলগত সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সে ভারতীয় সাংবাদিক কৃষ্ণ দাসের নেওয়া শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সাথে প্রচার হচ্ছে।
বাংলাদেশের বেশ কিছু গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের ভূমিকা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। সমালোচকদের দাবি, গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ স্বৈরাচারী শাসনের সুবিধাভোগী ছিল এবং তারা এখনো শেখ হাসিনাকে ইতিবাচকভাবে কভারেজ দিতে তৎপর। এমনকি এসব গণমাধ্যমকর্মীদের অতীত ইতিহাস ঘাটলে অনেকেরই ছাত্রজীবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর আগেও রয়টার্সের সাংবাদিক কৃষ্ণ দাস এবং রুমা পালের তৈরি করা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব প্রতিবেদন ও সাক্ষাৎকার প্রচার মূলত ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনারই অংশ, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পুনরায় পুনর্বাসিত করা।







