বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার পর আবেগঘন একটি বার্তা প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির সাবেক আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।
সোমবার ছাত্রশিবিরের ষাণ্মাসিক সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে সাদিক কায়েমসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ৯ জন সম্পাদক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। বিষয়টি সংগঠনের প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ নিশ্চিত করেন।
পরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সাদিক কায়েম ছাত্রশিবিরকে তার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ও আবেগের সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তার আনুষ্ঠানিক বিদায় হয়েছে এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ও সবচেয়ে ফলপ্রসূ সময়গুলো এই সংগঠনের সঙ্গেই কেটেছে। তিনি বলেন,
তিনি বলেন, ছাত্রশিবির তাকে দেশ ও জাতির জন্য ভাবতে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলতে এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি সংগঠনটি তার আত্মিক ও নৈতিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সাদিক কায়েম আরও লেখেন, সংগঠনের দায়িত্বশীল ও কর্মীদের সঙ্গে কাটানো সময়, তাদের সান্নিধ্য এবং শেখার সুযোগ তার জীবনের অন্যতম বড় অর্জন। ভবিষ্যতেও তিনি সংগঠনের কর্মীদের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন ছাত্রশিবিরের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক কবুল হয় এবং তারা ভবিষ্যতেও নির্যাতিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফলভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।
এদিকে, একই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব থেকে বিদায় নেওয়া অন্য কেন্দ্রীয় সম্পাদকরা হলেন— মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, শরীফ মাহমুদ, মুহিবুর রহমান মুহিব, রিয়াজুল ইসলাম, নুরুল হুদা, আরাফাত হোসেন মিলন, হাবিবুর রহমান আরমান এবং শাহীন আহমেদ।
