বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হওয়া আলোচনার জবাবে নিজের স্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, কোনো প্রকার বাধ্যবাধকতা নয়, বরং নিজের ইচ্ছাতেই তিনি সর্বজনশ্রদ্ধেয় বীর সন্তানদের প্রতি এই সম্মান প্রদর্শন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও যখন ইচ্ছা হবে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একইভাবে স্যালুট জানিয়ে যাবেন।
পোস্টে পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, তাঁর বাবা একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার ছিলেন এবং তিনি নিজেও বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। ফলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর মতো একটি গম্ভীর ও সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে মুখরোচক আলোচনা বা তামাশা করার মানসিকতাকে তিনি অত্যন্ত অস্বাভাবিক বলে মনে করেন।
শ্রদ্ধানুভূতির জায়গা থেকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা শুনলে বা দেখলে শ্রদ্ধায় তাঁর হাত স্বতঃস্ফূর্তভাবেই স্যালুটে উঠে যায়। গণতান্ত্রিক দেশে নিজের ইচ্ছায় বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, যতদিন এবং যতবার ইচ্ছা হবে, তিনি এই সর্বজনশ্রদ্ধেয় বীরদের স্যালুট জানিয়ে যাবেন।
সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনাকারীদের ওপর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, দেশের কিছু মানুষের এমন সংবেদনহীনতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সমাজে অসম্মানজনক কাজ করলে বাহবা মিললেও সম্মান প্রদর্শন নিয়ে তামাশা করা হয় উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সঠিক বোধ বা হেদায়েত দান করার প্রার্থনা জানান।






