হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় ছাত্রদল ও যুবদলের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’কে দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি দাবি করেন, হামলায় তাদের একাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং সাংবাদিকদের সরঞ্জামও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় সারজিস আলম এসব অভিযোগ করেন।
সারজিস বলেন, “আমাদের কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। হামলাকারীরা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এমনকি একজন কর্মীর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। জেলা সেক্রেটারি একজন কর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও আহত হয়েছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আহত সাত-আটজনকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময় হাসপাতালের গেটেও তাদের ওপর পুনরায় হামলা চালানো হয় এবং আহতদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।
পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে সারজিস বলেন, হামলার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি; বরং নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা শহরের সার্কিট হাউজ এলাকায় এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। এনসিপির দাবি, স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন। এতে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
তবে সারজিস আলমের এসব অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল বা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।







