লন্ডনভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স’ প্রকাশিত ২০২৬ সালের জুলাই মাসের পাসপোর্ট সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় ফের পিছিয়েছে বাংলাদেশ। বছরের শুরুতে ৯৫তম স্থানে থাকলেও ছয় মাসের ব্যবধানে তা দুই ধাপ নেমে বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে ৯৭তম স্থানে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে আগাম ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধায় বিশ্বের ৩৫টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। জানুয়ারি ২০২৬ এবং ২০২৫ সালের সূচকে এ সংখ্যা ছিল ৩৭। অর্থাৎ, ছয় মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ দুইটি ভিসামুক্ত বা সহজ ভিসা সুবিধার গন্তব্য হারিয়েছে। দেশ দুটি হলো-কেপ ভার্দে ও মোজাম্বিক।
মূলত আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি কঠোর করার কারণে আফ্রিকান দেশ দুটি বাংলাদেশকে অন-অ্যারাইভাল সুবিধার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ অগ্রিম ই-ভিসার আওতায় নিয়ে এসেছে। ফলে হেনলি সূচকের নিয়ম অনুযায়ী এই গন্তব্যগুলো আর ভিসামুক্ত সুবিধার তালিকায় গণনা করা হচ্ছে না। বর্তমানে বাংলাদেশিরা ১৭টি দেশে ভিসামুক্ত, ১৪টি দেশে অন-অ্যারাইভাল এবং ৪টি দেশে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) সুবিধা পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৮তম। তবে পরবর্তী বছরগুলোতে ক্রমাগত অবনতি ঘটে এবং ২০২১ সালের জুলাইয়ে তা ইতিহাসের সর্বনিম্নে ১০৮তম স্থানে নেমে যায়। ২০২৬ সালের হালনাগাদ তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর, যার নাগরিকরা বিশ্বের ১৯২টি দেশে বিনা ভিসায় যাতায়াত করতে পারেন। অন্যদিকে মাত্র ২২টি দেশে প্রবেশাধিকার নিয়ে তালিকার সর্বনিম্ন ১০৪তম স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান।
