ভোলার তজুমদ্দিনে মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার এক মৃত শিক্ষকের নাম ও ইনডেক্স ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে বেতন তোলার অভিযোগে জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিনকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ ২ আগস্ট (রোববার) ভোলা জেলা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ জাকির হোসাইন ও সেক্রেটারি মো. হারুনুর রশিদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃদ্বয় বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং সংশ্লিষ্ট নেতার মানহানি করার অপচেষ্টা মাত্র। তাঁরা জানান, অনুসন্ধানে জানা গেছে যে মো. মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসায় নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন। দীর্ঘদিন পর হঠাৎ তাঁর নিয়োগ নিয়ে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে।
নেতৃদ্বয় আরও উল্লেখ করেন, মাদরাসার সুপার নুরুজ্জামান অনেক বছর আগে দায়িত্বে যোগদান করেছেন। যদি নিয়োগে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা অনিয়ম থাকত, তবে তিনি এতদিন আগেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতেন। কিন্তু তা না করে জনপ্রিয় ও সম্মানিত শিক্ষক মহিউদ্দিনের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধ ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে সুপার নিজেই এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
সংবাদের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীল ভূমিকার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের জন্য সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে। পাশাপাশি যে বা যারা এ ধরনের মনগড়া প্রোপাগান্ডা চালিয়ে জামায়াত নেতা মহিউদ্দিনের সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মানহানি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতারা।
