জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষিত লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় দেওয়া সংস্কার, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার আজও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। বরং সরকার নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সেই আন্দোলনের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট জুলাই সনদ প্রণয়নের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই সনদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
তিনি অভিযোগ করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পরিবর্তে সরকার সময়ক্ষেপণ করছে এবং বিভিন্ন ইস্যু সামনে এনে মূল প্রতিশ্রুতি থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নামে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই রাজনৈতিক সদিচ্ছার পরিচয় দিয়ে অবিলম্বে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সময়সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
সমাবেশে উপস্থিত দলীয় নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় জনগণের প্রত্যাশা অপূর্ণ থেকে যাবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি কেবল আপনার দেওয়া শিরোনামের ভিত্তিতে রচিত। যদি নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা বক্তব্যের মূল পাঠ থাকে, সেটি দিলে তথ্যভিত্তিক ও আরও নির্ভুলভাবে পুনর্লিখন করা যাবে।
