সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও বেনজীর আহমেদের মতো শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিদেশে অঢেল সম্পদ এবং বাড়ি কেনার ধারাবাহিকতায় এবার নাম জড়িয়েছে বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের। সম্প্রতি সপরিবারে দুই দফায় আমেরিকা সফরকালে গোপনে কানাডা গিয়ে তিনি একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছেন বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
কানাডা সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলে অবস্থানকালীন তাঁর পুরোনো বন্ধু হাসান (ইকু)-র মাধ্যমে এই বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কানাডার নাগরিক ও স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের পারচেজ অফিসার হিসেবে কর্মরত হাসান এই লেনদেনে মধ্যস্থতা করেন। মূলত অবসরের পর বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপনের উদ্দেশ্যেই এই বিপুল বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, কানাডায় কেনা বাড়ির কিস্তির টাকা শোধ করতে অর্থ সংগ্রহের এক বড় মাধ্যম গড়ে তোলা হয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করতে আইজিপি তাঁর দেহরক্ষী মনিরসহ ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক পদোন্নতি ও পদায়ন বাণিজ্য শুরু করেছেন। একাধিক আর্থিক প্যাকেজ এবং কিস্তির বিনিময়ে এই বদলি ও পদোন্নতির মাধ্যমে মাঠ পর্যায় থেকে বিশাল অংকের অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কানাডার বেগমপাড়া নামে পরিচিত সম্পদ পাচারের ঘটনায় প্রথম বড় আলোচনা শুরু হয় ২০২০ সালে। সে সময় প্রভাবশালী অনেক বাংলাদেশি, বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির অর্থ পাচার করে স্ত্রী-সন্তানদের কানাডায় পাঠিয়েছেন বলে তথ্য সামনে আসে। সেখানে তারা কিনেছেন ফ্ল্যাট-বাড়ি, গড়েছেন বিলাসবহুল জীবন।







