বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদ ও এর সহযোগীরা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তাদের কালো ছায়া এখনো রয়ে গেছে। এই অপসংস্কৃতির প্রভাব সংস্কৃতির মাধ্যমেই দূর করতে হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা, সাংস্কৃতিক চেতনা ও জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই অর্জন ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, “দেশকে আমরা সবাই মিলে গড়ব। জাতিকে আমরা বিভক্ত করতে চাই না। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায়, তারা দেশের শত্রু। আমাদের মত ও আদর্শ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিদায় শুরু হয়েছে। ঐক্য বজায় রাখতে পারলে এসব অপশক্তিকে চিরতরে বিদায় করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি। সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। আয়োজনের সাংস্কৃতিক পর্বে কোরআন তেলাওয়াত, আবৃত্তি, জারি, সংগীত, কাওয়ালি, গম্ভীরা ও নাট্য পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষ নাটক ‘রক্তাক্ত জুলাই’-এর মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও গণজাগরণের চিত্র তুলে ধরা হয়।







