সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
আজাদির ডাক
No Result
View All Result
হোম প্রধান সংবাদ

কেমন কাটল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম ৬ মাস 

আগস্ট ১৭, ২০২৬
A A
কেমন কাটল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম ৬ মাস 
Share on FacebookShare on Twitter

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় দেড় বছর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব ফিরে পায় দলটি। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পরদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সরকারের তিনটি প্রধান অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়—দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। ছয় মাসে এসব অগ্রাধিকার কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, এখন সেটিই বড় প্রশ্ন।

কারণ, সরকারের নির্ধারিত তিন অগ্রাধিকারের প্রায় প্রতিটিতেই গত ছয় মাসে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা গেছে। তবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর কিছু উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে কয়েকটি সাফল্য সরকারের ইতিবাচক দিক হিসেবে আলোচনায় এসেছে।

সরকারের দাবি, ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত অধিকাংশ লক্ষ্যই অর্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মতে, নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

সরকার গঠনের পর সংসদ সদস্যদের ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি না নেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া কয়েকটি পদক্ষেপও প্রশংসা পেয়েছে।

আইনশৃঙ্খলায় স্বস্তি কতটা

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসেও পরিস্থিতির প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি বলে প্রশ্ন উঠেছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ও সহিংসতায় ২২০ জন মারা গেছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে নয়টি। কারাগারে বন্দি বা বিচারাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৫৫ জন এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩৬৫টি। একই সময়ে মব সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ১২০ জন।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্যেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা বেড়ে ৮৩০টিতে দাঁড়িয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫২৯টি।

আরওপড়ুন

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

৬ মাসে সরকারের অগ্রগতি হতাশাজনক: এবি পার্টি

এ ছাড়া জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৬২১ জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪২।

বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের সংঘর্ষ এবং বিভিন্ন স্থানে এনসিপি ও জামায়াতের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তার মতে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিশেষ পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে। ফলে খুন, চাঁদাবাজি, নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ কমছে না।

অর্থনীতিতে সংস্কারের অগ্রগতি

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি নানা সংকটে ছিল। উচ্চ সরকারি ঋণ, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ধীরগতি এবং মূল্যস্ফীতি সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ছিল।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়, তবে একেবারে কম সময়ও নয়।

তার মতে, সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দিকে এগিয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করেছে। আগের একীভূত পাঁচটি ব্যাংক কার্যকর করার উদ্যোগকেও তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি সফল হয়নি সরকার। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ এখনো সাধারণ মানুষের ওপর রয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদেরা। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা চালুর জন্য তহবিল গঠনকেও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে এখনো প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে আর্থিক নীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে বড় চাপ

সরকারের প্রথম ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির বিষয়গুলোর একটি ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গৃহস্থালি কাজের পাশাপাশি ব্যবসা ও শিল্প উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগও ওঠে। অনেক গ্রাহক স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি বিল পাওয়ার অভিযোগ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তার মতে, অন্তত ছয় মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতকে স্থিতিশীল করা সম্ভব ছিল।

জ্বালানি সংকটও সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার পাশাপাশি গত মাসের শেষ দিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট দেখা দেয়।

এ পরিস্থিতিতে আগস্টের শুরুতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে কর্মসূচি পালন করে। বিরোধী দল সচিবালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও দেয়।

অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুনের মতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ছাড়া অর্থনীতি ও জনজীবন সচল রাখা কঠিন। তাই পরবর্তী সময়ে সরকারকে এ দুটি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

সরকার অবশ্য জ্বালানি সংকটকে নিজেদের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে না। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর দাবি, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও একটি টার্মিনাল নষ্ট হওয়ার কারণে সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সরকার কাজ করছে।

কূটনীতিতে কিছু সাফল্য

অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও কূটনীতির ক্ষেত্রে সরকারের প্রথম ছয় মাসকে তুলনামূলক ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবিরের মতে, এটি বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য।

এ ছাড়া ক্ষমতায় আসার পর ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটি ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর। সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়া, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর এবং চীনের সঙ্গে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষায় ‘টু প্লাস টু’ সমঝোতার বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবিরের মতে, চীনের অর্থনৈতিক করিডরের প্রস্তাব এবং তিস্তা প্রকল্পে চীনের ফিজিবিলিটি স্টাডিতে অংশ নেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এখনো জটিল। হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, তা বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও পুরোপুরি কাটেনি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হলেও ঢাকা এখনো অনুকূল পরিবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম জানিয়েছেন, দুই দেশ যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। তবে ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের পর সফরের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সংস্কার ও সুশাসনে প্রশ্ন

গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ, নির্বাচনব্যবস্থা ও আর্থিক খাতের দুর্নীতিসহ নানা বিষয়ে সংস্কারের দাবি ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন কমিশন গঠন করে সংস্কারের প্রস্তাব তৈরি করে। পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয় এবং এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

তবে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর গণভোটের আদেশকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

স্বাধীন বিচার বিভাগ, গুম কমিশন, দুর্নীতি দমন এবং পুলিশ সংস্কারের মতো বিষয়েও দৃশ্যমান অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, বিএনপির কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল পরিবর্তন ও সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া। কিন্তু ছয় মাসে সুশাসন ও রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখা যায়নি।

গণভোটের রায় ও সংস্কার বাস্তবায়নের প্রশ্নে বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও অসন্তোষ বাড়ছে। এরই মধ্যে জামায়াত-এনসিপি জোট রাজপথে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।

ছয় মাসের মূল্যায়ন

বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক উদ্যোগ দেখা গেলেও সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর কিছু পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অর্জনগুলো সরকারের ইতিবাচক দিক হিসেবে সামনে এসেছে।

অন্যদিকে দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক সংস্কারের প্রশ্নে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় দৃশ্যমান হয়নি।

সরকারের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে এবং ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রার অধিকাংশ অর্জিত হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পরবর্তী সময়ে সরকারের প্রধান পরীক্ষা হবে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল করা এবং সংস্কার ও সুশাসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা।

সম্পর্কিত খবর

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ
প্রধান সংবাদ

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

আগস্ট ১৭, ২০২৬
৬ মাসে সরকারের অগ্রগতি হতাশাজনক: এবি পার্টি
প্রধান সংবাদ

৬ মাসে সরকারের অগ্রগতি হতাশাজনক: এবি পার্টি

আগস্ট ১৭, ২০২৬
ট্রাম্পের গোপন বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের আলোচনা!
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের গোপন বৈঠকে ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের আলোচনা!

আগস্ট ১৭, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক বিএনপি নেতা ভিপি সোহেলের ঘনিষ্ঠ ছাত্রদল নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল

    কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক বিএনপি নেতা ভিপি সোহেলের ঘনিষ্ঠ ছাত্রদল নেত্রীর ভিডিও ভাইরাল

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • চাঁদ দেখা যায়নি, ২৬ আগস্টের ছুটি নিয়ে যা সিদ্ধান্ত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • চট্টগ্রামের ডিসি হতে ২৯ কোটি টাকার চুক্তি! লেনদেনের চুক্তিপত্রের প্রমাণ, প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড়

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

আগস্ট ১৭, ২০২৬
ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট ‘অবাঞ্ছিত’, হল অফিসে তালা

ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট ‘অবাঞ্ছিত’, হল অফিসে তালা

আগস্ট ১৭, ২০২৬
‘ইসলামকে যারা নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছে, তারাই একসময় ধ্বংস হয়ে গেছে’

‘ইসলামকে যারা নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছে, তারাই একসময় ধ্বংস হয়ে গেছে’

আগস্ট ১৭, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: [email protected]

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০