ইসলামী দলগুলোর রাজনৈতিক ব্যবহার ও নির্বাচন-পরবর্তী মূল্যায়ন নিয়ে আলেম সমাজের একাংশের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে কওমি ঘরানার রাজনৈতিক দল ‘জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম’-এর সাথে বিএনপি সরকারের আচরণকে ‘সুযোগসন্ধানী’ ও ‘আস্থাভঙ্গ’ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে সমঝোতার ভিত্তিতে জমিয়তকে হাতে গোনা কয়েকটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দেয় বিএনপি। তবে বাস্তবে এসব আসনে বিএনপির দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে থেকে যান এবং জমিয়তের প্রার্থীদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যার ফলে পর্যাপ্ত সমর্থন না পেয়ে জমিয়তের একজন প্রার্থীও শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করতে পারেননি।
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন শরিক ও মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদে মূল্যায়িত করা হলেও জমিয়তকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। কওমি আলেমদের মধ্য থেকে কাউকেই ধর্ম মন্ত্রণালয় বা সরকারের কোনো নীতি-নির্ধারণী পদে রাখা হয়নি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলেম সমাজের একাংশের অভিযোগ, প্রয়োজন শেষে কিংবা রাজনৈতিক স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে মূলধারার দলগুলো এভাবেই ছুড়ে ফেলে। সেক্যুলার বা জাতীয়তাবাদী দলগুলোর কাছ থেকে ইসলামী দলগুলোর বার বারবার শিক্ষা নেওয়া উচিত বলেও মনে করছেন তাঁরা।
