চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান তাদের অস্ত্র উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সামরিক প্রধান। সম্প্রতি একটি ভূগর্ভস্থ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি জানান, আল্লাহর রহমতে ইরান বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত, উচ্চ মানসম্পন্ন ও বিধ্বংসী সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে।
সামরিক কর্মকর্তা জানান, গুণগত মানের পাশাপাশি উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকেও দেশটি সামরিক শিল্পে অভূতপূর্ব গতি এনেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের আত্মঘাতী বা ‘কামিকাজে’ ড্রোনের উৎপাদন আগের তুলনায় তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরও দাবি করেছে যে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নিজস্ব উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে ইরান বর্তমানে বিশ্ব সামরিক শক্তিতে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থানে উন্নীত করেছে। ড্রোন প্রযুক্তিতে ইরান বর্তমানে বিশ্বের ষষ্ঠ এবং দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে অবস্থান করছে বলে তারা দাবি জানায়।
