জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদে একজন বিবাহিত ও কর্মরত কলেজ শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ আগস্ট শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন আহ্বায়ক শাকিল আহমেদকে বহিষ্কার করে কেন্দ্র। এরপর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সই করা চিঠিতে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী একেএম আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং ছাত্রত্ব না থাকার তীব্র অভিযোগ তুলেছেন নিজ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রমাণের সপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের বাসায় মাসুদকে দেখা যায় এবং ছাত্রলীগের একটি খসড়া কমিটিতেও তার নাম দেখা গেছে। তাছাড়া তিনি বর্তমানে জামালপুর শহরের জামায়াত নেতাদের মালিকানাধীন ‘উইজডম সেন্ট্রাল কলেজ’-এ শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
এই ইস্যুতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে জাবিপ্রবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আদিবা হক মিলা প্রশ্ন তোলেন, একজন অছাত্র, বিবাহিত এবং জামায়াতের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা ব্যক্তি কীভাবে প্রগতিশীল একটি সংগঠনের নেতৃত্ব পান। জাবিপ্রবিতে ওই বিভাগের মাস্টার্স কোর্স না থাকায় মাসুদের বর্তমানে কোনো ছাত্রত্ব নেই বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে একেএম আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান, তিনি বিবাহিত এবং ওই কলেজে শিক্ষকতা করছেন। তবে ছাত্রলীগের সমমনা বন্ধুদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যাওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি দাবি করেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। নিজের পরিবার ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত উল্লেখ করে তিনি জানান, আগামী মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কোর্স শুরু হলে তার ছাত্রত্ব আবার নিয়মিত হবে।







