মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ১১ জন সংসদ সদস্য। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদি করা হয়েছে।
রোববার সকালে রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শিশির মনির বলেন, ২০০১ সালেও একইভাবে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সে সময় রিট করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন।
গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে ক্ষমতাসীন দলের ৩০ জন সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে দেশের ৬৪ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি ওই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট জেলার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার ক্ষমতা খর্ব না করে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করবেন।
এতে আরও বলা হয়, লুট করা অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আরেকটি অংশ দেশের ভেতরে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় সৃষ্টি এবং জননিরাপত্তা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে—এমন কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির মধ্যে টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দুর্নীতি নির্মূলের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার সংসদ ও জনগণের কাছে সম্মিলিতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
