সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নৈনগাঁও গ্রামসংলগ্ন দোয়ারাবাজার-ছাতক সড়কের সেতু প্রাঙ্গণে সংঘটিত এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে নৈনগাঁও গ্রামের জব্বার আলীর বাড়ি থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন চুরি হয়। ঘটনায় একই গ্রামের সেলিম আহমদ ও তাঁর ছেলের ওপর সন্দেহ সৃষ্টি হলে শনিবার সকালে জব্বার আলীর পক্ষে আল আমিন ও রফিক মিয়ার দলবল সেলিম আহমদের বাড়িতে চড়াও হয় এবং তাঁকে কুপিয়ে জখম করে। এর পরপরই উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহত সেলিম আহমদ, ফয়েজ আহমদ, জহুর আলী, লিয়াকত আলী, তমির উদ্দিন, সোহেল মিয়া, আল আমিন ও রফিক মিয়াসহ অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, দুপক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল, যা মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
