সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
হোম বাংলাদেশ

সরকার বদলালেই শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল, প্রশাসনে প্রশ্ন রাজনৈতিক আনুকূল্য নিয়ে

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
A A
সরকার বদলালেই শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল, প্রশাসনে প্রশ্ন রাজনৈতিক আনুকূল্য নিয়ে
Share on FacebookShare on Twitter

শাস্তি, বরখাস্ত কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরের পর সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কর্মকর্তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে আনার ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়। বিভিন্ন সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং পরবর্তী সরকার এসে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করার একাধিক নজির রয়েছে। ফলে প্রশাসনে যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের চেয়ে রাজনৈতিক আনুকূল্য বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না—এ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি রাষ্ট্রপতি মওকুফ করার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০২৫ সালের জুনে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজেদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তির জন্য ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

২০২৫ সালের জুনে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে এনবিআরে নজিরবিহীন আন্দোলন হয়। আন্দোলনের কারণে একপর্যায়ে দেশের রাজস্ব কার্যক্রমও ব্যাহত হয়।

আন্দোলনের সময় কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলি করা হলে তারা প্রকাশ্যে বদলির আদেশ ছিঁড়ে ফেলেন। পরে বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কয়েকজনকে সাময়িক বরখাস্ত এবং কয়েকজনের বেতন কমানোর মতো শাস্তি দেওয়া হয়।

এখন রাষ্ট্রপতির আদেশে এসব শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে।

ঘটনাটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। ওই আইনে জনসেবার কার্যক্রম ব্যাহত করে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফলে একদিকে জনসেবার কার্যক্রম ব্যাহত করার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আইন করা এবং অন্যদিকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের শাস্তি মওকুফ—দুই সিদ্ধান্তের মধ্যে সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

১৫০ সামরিক কর্মকর্তাকে অবসর ও ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি

এর আগে গত ১ জুলাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতি পাওয়া ও বরখাস্ত হওয়া ১৫০ কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন—এমন কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়।

আগের সরকারের আমলে বাদ, পরে পুনর্বহাল

শুধু বর্তমান সময়েই নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও আগের সরকারের আমলে চাকরি হারানো বা অবসরে পাঠানো বহু কর্মকর্তা পুনর্বহাল হয়েছেন।

২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৭ সালে বরখাস্ত হওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন কারণে চাকরি হারানো ১ হাজার ৫২২ পুলিশ সদস্যকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছিল, নৈতিক স্খলন, আর্থিক দুর্নীতি কিংবা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে ফৌজদারি মামলা থাকা ব্যক্তিদের এ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরিচ্যুতি কিংবা বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তনের পর তাদের কেউ কেউ আবার চাকরিতে ফিরে আসেন।

একদিকে ফিরিয়ে আনা, অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়া

সরকার পরিবর্তনের পর একদিকে আগের সরকারের সময়ে চাকরি হারানো কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল করা হচ্ছে, অন্যদিকে নতুন সরকারও বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। অনেকে এখনো বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জুলাইয়ের শেষ দিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। পুলিশ প্রশাসনেও একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও এমন সিদ্ধান্তের নজির ছিল। ২০২২ সালের অক্টোবরে তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

তার ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছিল। ওই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কোনো কারণ না দেখিয়েই তাকে অবসর দিতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আইনি ক্ষমতা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রয়োগ করা হলে প্রশাসনে দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

‘রাজনৈতিক বিবেচনায় সরানো হলে ফিরে আসার পথ তৈরি হয়’

সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খানের মতে, সব সরকারের সময়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। দলীয় বা রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে সরকার পরিবর্তনের পর তার ফিরে আসার পথ তৈরি হয়।

তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা দুর্নীতি, অসদাচরণ বা অন্যায় করলে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শোকজ, তদন্ত এবং গুরুতর শাস্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক মতামত নেওয়ার মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত হলে তা নিয়ে প্রশ্ন কম থাকে।

তার মতে, অন্যায় করলে বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু অন্যায্যভাবে কাউকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হলে সেটিও গ্রহণযোগ্য নয়। এভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরিয়ে দিলে তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়, দক্ষতা কমে এবং প্রশাসনে দলীয় প্রভাব বিস্তারের সুযোগ বাড়ে।

২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হওয়ার পর জনস্বার্থের কথা বলে কাউকে অবসরে পাঠানোর বিধানকেও তিনি সমালোচনা করেন। তার মতে, রাজনৈতিকভাবে এ ধরনের বিধান ব্যবহার করা হলে পরবর্তী সরকার পরিবর্তনের পর সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি উঠবেই।

‘প্রক্রিয়ার বাইরে ফিরিয়ে আনা অনিয়ম’

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার মতে, কোনো কর্মকর্তাকে বিভাগীয় মামলায় দণ্ড দেওয়া হলে তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউয়ের সুযোগ রয়েছে। দণ্ড বহাল থাকলে তিনি প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালেও যেতে পারেন এবং পরবর্তী আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তার মতে, এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় কিংবা সরকার পরিবর্তনের পর কাউকে চাকরিতে ফিরিয়ে এনে পদায়ন করা হলে তা অনিয়মের পর্যায়ে পড়ে।

তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক আনুকূল্য পাওয়া ব্যক্তিরাই সাধারণত এ ধরনের সুবিধা বেশি পান। এর ফলে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ বন্ধ হওয়ার পরিবর্তে আরও জোরালো হয়।

ন্যায়বিচার নাকি রাজনৈতিক আনুকূল্য?

কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সেই শাস্তি বাতিল করে তাদের পুনর্বহালের ধারাবাহিকতা শুধু ব্যক্তির চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয় নয়। এর সঙ্গে সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থার বিষয়ও জড়িত।

বিশ্লেষকদের মতে, কোনো কর্মকর্তা অন্যায় বা অপরাধ করলে অবশ্যই নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। একইভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে কাউকে শাস্তি দেওয়া হলেও তার প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তবে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এক সরকারের শাস্তি আরেক সরকার বাতিল করে দিলে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে একটি বার্তা যেতে পারে—পেশাগত দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার চেয়ে ক্ষমতাসীনদের আনুকূল্যই হয়তো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে একটি দক্ষ, নিরপেক্ষ ও পেশাদার আমলাতন্ত্র গড়ে তোলা কঠিন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদায়ন, শাস্তি ও পুনর্বহালের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে স্বচ্ছ, নির্দিষ্ট ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে: চিফ প্রসিকিউটর

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল হাইকমিশন

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • দুই নারীকে পিটিয়ে মাথা ফাটালেন মির্জা আব্বাসের ভাগিনা ও ছাত্রদল নেতা আদিত্য

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • রুশ এস-৪০০-এর চেয়েও শক্তিশালী তুর্কি রাডার মোতায়েনের প্রস্তুতি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ব্যাগে কনডম রাখা নারীসহ ওলামা দলের নেতাকে আটক করল প্রতিবেশীরা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • ৯৮ হাজার ভোটে পরাজিত নেতাকে আবারও প্রার্থী করলো, কে এই দেলোয়ার?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ, নিজেদের লোক বসানোর পথ সুগম করছে বিএনপি সরকার!

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

নতুন হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত ও কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version