ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ করবে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘আনন্দবাজার’। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আনন্দবাজারে প্রকাশিত অণির্বাণ দাসগুপ্তের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারত সরকার এই বিষয়ে তাদের কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান বাংলাদেশকে আগেই জানিয়ে দিয়েছে।
প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাস আগে ভারতের উচ্চপর্যায়ের একটি গোয়েন্দা প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। উক্ত বৈঠকে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, কোনো অবস্থাতেই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না নয়াদিল্লি।
তবে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর যদি গ্রেপ্তার বা আটক হন, তবে তাঁর নিরাপত্তা ও সুচিকিৎসার বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ভারতীয় প্রতিনিধিদল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের কাছে তারা অনুরোধ জানিয়েছে, বাংলাদেশে ফেরার পর যেন শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ধরনের ‘অসম্মানজনক আচরণ’ না করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরে আসার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। তবে তিনি ঠিক কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন, সে বিষয়ে তাঁর দল আওয়ামী লীগ এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা রূপরেখা তৈরি করতে পারেনি বলে মনে করছেন ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
একই সংবাদে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’র অন্তত ছয়জন সন্দেহভাজন সদস্যের উপস্থিতির খবর পাওয়া গেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ওই ৬ জনের মধ্যে ৪ জনই পূর্বে ভারতের কাশ্মীরে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল।







